রায়গঞ্জের কুলিক পক্ষিনিবাসে আসতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখিরা - The News Lion

রায়গঞ্জের কুলিক পক্ষিনিবাসে আসতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখিরা




দি নিউজ লায়ন ;  উত্তর দিনাজপুরের জেলা সদর রায়গঞ্জ শহর লাগোয়া কুলিক নদীর তীরে প্রায় তিনশো একর জমির উপর বিস্তৃত এই পাখিরালয়ে ইতিমধ্যেই নাইট হেরন, ওপেন বিলস্টক বা পানকৌড়ির মতো দেশী ও বিদেশী পাখিরা আসতে শুরু করে দিয়েছে। এই পরিযায়ী পাখিদের আগমনের সাথে সাথে সবুজ বনানীর রূপটাও অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। 


উল্লেখ্য, প্রতিবছর জুনের শেষদিকে দক্ষিন এশিয়া ও উপকুলবর্তি বিভিন্ন দেশগুলি থেকে শামুকখোল,নাইট হেরন(বাজকা),ডাহুক,ছোট বক,পানকৌরী প্রভৃতি নানা জাতের পাখিরা আসে এই কুলিক পাখিরালয়ে।


 এই সব পাখিগুলি মুলত পক্ষিনিবাসের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কুলিক নদী থেকে গুগলি, শামুক,মাছ বা জলজ প্রানীদের দ্বারাই তাদের রসনা নিবৃত্তি করে থাকে। এখানে এসে ডিম ফুটিয়ে শাবকের জন্ম দিয়ে প্রকৃতির সবুজ বনচ্ছায়ায় বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত করে অক্টোবর মাস নাগাদ বিভিন্ন প্রজাতির এই পাখিরা আবার ফিরে যায় অন্যত্র আশ্রয়ের সন্ধানে। 


বন দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত বছরও লক ডাউনের কারনে যান চলাচল পুরোপুরি অনেকদিন বন্ধ থাকায় পরিবেশে দুষন কমেছিল। সে সময়ও অন্যান্ন বছরের রেকর্ড ছাপিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি পরিযায়ী পাখিরা ভীর জমিয়েছিল এই কুলিক পক্ষিনিবাসে। এদিকে বছর কয়েক আগেই বিপুল শামুকখোল পাখির গননায় এশিয়ার বৃহৎ পাখিরালয়ের তকমা পেয়েছিল রায়গঞ্জের এই কুলিক পক্ষিনিবাস। 


আর এবারেও কার্যত লক ডাউনে যান চলাচল অনেকাংশেই কম থাকায় আবারো নির্দিষ্ট সময়ের কিছু আগেই পরিযায়ী পাখিরা আসতে শুরু করেছে কুলিকে। আর তাই এবারে সেই সংখ্যাটা ১ লাখের গণ্ডী ছাড়ীয়ে যাবে বলে আশাবাদী বন দফতর ও পশু প্রেমীদের দাবী। এদিকে কার্যত লক ডাউনে এই মরশুমে কুলিকে সাধারন মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কিছুটা হলেও মনক্ষুন্ন অনেকেই।তবে পাখিদের এই আগমন পরিবেশ ও প্রকৃতি দুষনমুক্ত থাকাতেই আবারো পুরোনো ছন্দে ফিরছে বলে দাবী করেছেন পরিবেশবিদেরা। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.